Dhaka Mail Logo

জাতীয়

দুপুর গড়াতেই হকারদের দখলে ফুটপাত, বাড়ছে ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম

রাজধানীর ব্যস্ত সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে দফায় দফায় অভিযান চালানো হলেও বাস্তবে তার স্থায়ী সুফল মিলছে না। উচ্ছেদের দু–এক দিনের মধ্যেই আবার ফুটপাত ও সড়কে বসছে অস্থায়ী দোকানপাট। সকালে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ দেখা গেলেও দুপুরের পর থেকে দ্রুত বাড়তে থাকে হকারদের উপস্থিতি। ফলে বিকেলের দিকে পথচারীদের ভোগান্তি ও যানজট আবারও তীব্র হয়ে ওঠে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সরেজমিনে গুলিস্তান, পল্টন, বাড্ডা, শাহজাদপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।

আরও পড়ুন

গুলিস্তানে হকার-পুলিশের লুকোচুরি খেলা!

সরেজমিনে দেখা যায়, সাম্প্রতিক অভিযানের পর কিছু সময়ের জন্য ফুটপাত ফাঁকা থাকলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হকাররা ফিরে আসছেন। অনেকেই সকালে অভিযান এড়াতে দোকান না খুললেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুটপাতজুড়ে বসাতে শুরু করছেন কাপড়, জুতা, খাবার ও বিভিন্ন নিত্যপণ্যের অস্থায়ী দোকান।

Hoker2

পথচারীদের অভিযোগ, প্রতিদিন উচ্ছেদ অভিযান হলেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় তাদের বাধ্য হয়ে সড়কে নেমে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি যেমন বাড়ছে, তেমনি তৈরি হচ্ছে তীব্র যানজট।

আরও পড়ুন

সপ্তাহ না যেতেই ফের দখলে ঢাকা মেডিকেলের সামনের ফুটপাত

অন্যদিকে জীবিকার তাগিদে হকাররাও আবার ফিরে আসছেন আগের জায়গায়। হকার নেতাদের অভিযোগ, বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি অভিযানের আড়ালে নতুন করে চাঁদাবাজির সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেছেন।

Hoker3

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু অভিযান নয়—সমন্বিত উদ্যোগ ও পরিকল্পিত পুনর্বাসন ছাড়া রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন

ফুটপাত দখলের প্রতিযোগিতায় বাড়ছে দুর্ঘটনা

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পরপর ফুটপাত দখলমুক্ত করার ঘোষণা দেয়। সে হিসেবে সারাদেশে একযোগে চলছে অভিযান। বেশির ভাগ এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত হয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগের প্রশংসা করছে সাধারণ মানুষ। 

এমআর/জেবি