জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ভোগান্তি কমাতে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের সমস্যা নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা হয়।
সোমবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগে আয়োজিত এই সভায় সূচনা বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
সভাটি সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কিছুটা বিলম্বে শুরু হয়। পরিচয় পর্ব শেষ হতেই সূচনা বক্তব্য দেন মন্ত্রী। একপর্যায়ে চলে সমস্যার সমাধানে আলোচনা। আলোচকেরা মিডিয়ার উপস্থিতিতে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
একপর্যায়ে ৬টা ৪৪ মিনিটে মন্ত্রী গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমার মনে হয় গণমাধ্যমকর্মীদের অনুপস্থিতিতে আমরা আলোচনা করি। আমি আপনাদের ডেকেছি, সমস্যাগুলো জানানোর জন্য। তবে আমাদের নিজেদের মধ্যেও আলোচনা দরকার।
এর আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেল, জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের (এনআইএলজি) পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. রাশেদুল হাসান। জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বারবারই তিনি থেমে যাচ্ছিলেন। সেবা জোরদারসহ নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে কোনো ধরনের অর্গানোগ্রাম রয়েছে কি না- মন্ত্রীর এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি তিনি। একপর্যায়ে গণমাধ্যম কর্মীরা না থাকলেই ভালো হয়- এমন নীরব দাবি উঠে সভাকক্ষে।
এর আগে সূচনা বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন নিয়ে জনসাধারণকে প্রায়ই ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এ ব্যাপারে স্থায়ী একটি সমাধান হওয়া উচিত।
মন্ত্রী বলেন, প্রায়ই আমার কাছে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন নিয়ে অভিযোগ আসছে। আমরা চাই এই সমস্যার সমাধান করে একটা স্থায়ী সমাধান। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন নিয়ে আমরা আটকে থাকব, এমনটা হতে পারে না।
সভায় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইবরাহিম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদফতরের ৪০ জনের বেশি কর্মকর্তা।
ডিএইচডি/জেবি




