বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

ওয়েস্ট ইন্ডিজ-দক্ষিণ আফ্রিকার ভারত ছাড়তে দেরি, কী বলছে আইসিসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ মার্চ ২০২৬, ১২:২৪ পিএম

শেয়ার করুন:

ওয়েস্ট ইন্ডিজ-দক্ষিণ আফ্রিকার ভারত ছাড়তে দেরি, কী বলছে আইসিসি

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) জানিয়েছে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট দলগুলোকে দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা ও বাস্তব পরিস্থিতিকে। এ কারণে প্রতিটি দলের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ভ্রমণ পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সদস্যরা মঙ্গলবার রাত থেকেই দেশে ফেরার যাত্রা শুরু করবেন। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে দলের সব সদস্য নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হবেন। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের নয়জন খেলোয়াড় ইতোমধ্যে ক্যারিবীয় অঞ্চলের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন। বাকি ১৬ জনেরও আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারত ত্যাগ করার জন্য ফ্লাইট নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে ইংল্যান্ড দল তুলনামূলক দ্রুত দেশে ফিরতে পারায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু সমালোচনা দেখা দেয়। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, কেন অন্য দলগুলোকে অপেক্ষা করতে হয়েছে। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে আইসিসি।

সংস্থাটি স্পষ্ট করে জানায়, প্রতিটি দলের ভ্রমণ ব্যবস্থা আলাদা ছিল এবং তাদের গন্তব্য, রুট ও বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন হওয়ায় পরিকল্পনাও আলাদা করা হয়েছে। ফলে ইংল্যান্ড দলের ভ্রমণ ব্যবস্থার সঙ্গে অন্য দলগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই।

আইসিসির বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা বুঝতে পারছি যে আইসিসি পুরুষদের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ শেষ করার পর খেলোয়াড়, কোচ, সাপোর্ট স্টাফ এবং তাদের পরিবার দ্রুত দেশে ফিরতে চান। তারা এখনো ফিরতে পারেননি। এটি আমাদের জন্যও সত্যিকারের হতাশার বিষয়।”

আইসিসি আরও বলেছে, “এই পরিস্থিতিগুলো সম্পূর্ণভাবে আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ফলে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ভ্রমণব্যবস্থা অনেক বেশি জটিল ও সময়সাপেক্ষ হয়ে পড়েছে।”

আইসিসি জানিয়েছে, খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে তারা বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। বিবৃতিতে বলা হয়, “এয়ারলাইনস, চার্টার অপারেটর, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার এবং বিভিন্ন দেশের সরকারি অংশীদারদের সঙ্গে আমরা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছি, যাতে যত দ্রুত সম্ভব সবাইকে নিরাপদে দেশে ফেরানো যায়।”

আইসিসি আরও জানায়, পরিস্থিতি পুরোপুরি নিরাপদ বলে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো দলকে ভ্রমণে পাঠানো হয়নি। খেলোয়াড়, কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য।

এসটি

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর